Love for Beloved Chhayani Union

Saturday, 13 August 2016

এক সুন্দর দিনে সাধারণ এক কিশোরী বউ হয়ে আমার জীবনে এসেছিল।

Post Collected from GBC Fb Group

এক সুন্দর দিনে সাধারণ এক কিশোরী বউ হয়ে আমার জীবনে এসেছিল। ঘর-সংসার কী অত বুঝতনা সে তখন? তাকে বুঝে উঠার সবটুকু সাধ্য হয় নি কখনও। কারণ সদাহাস্য চেহারা যার, তার অন্যান্য অনুভূতি ধরতে পারাটা কঠিন।
তারপর যুগের শুরু। এক কিশোরীর নারী
হয়ে উঠার সাক্ষী আমি। ছোট ছোট আবদার আর কথাগুলো ক্রমেই দিক পাল্টালো। হাতের নখের আকার পাল্টে গেল আমার খাবারটুকু স্বাস্থ্যকর রাখার জন্য। ঘরের চারপাশে ছড়িয়ে মিশে গেল তার চব্বিশঘণ্টা, মাস, বছর এবং যুগ।
রাতের পর রাত কাজ থেকে ফিরে দেখতাম, মেয়েটি ক্রমেই রূপ হারাচ্ছে রাত জেগে আমার অপেক্ষায় থেকে থেকে। হয়ত ভালোবাসার চেয়ে স্নেহই ছিল বেশী। প্রথম সন্তানের জন্মের পর যেন সে স্নেহের ডালপালা ছড়ালো। নিজেকে এত যত্ন পাওয়ার যোগ্য আমার কখনই মনে হয়নি। পোশাক থেকে খাবার, কাজ থেকে ঘুম সবকিছুতেই মায়া। কাজের মাঝে বুদ হয়ে থাকা এই আমির সব পারিবারিক দায়িত্ব সে পালন করতে করতে সবার কাছে আমার নাম মানেই হয়ে উঠে তার অবয়ব। ততদিনে হয়ত সংসার বুঝে গিয়েছে সে। মেয়ে আসলো কোলজুড়ে। দেখতে অবিকল মায়ের মত। সবকিছু জেঁকে ধরে কিশোরীটিকে নারী বানালো। কিন্তু ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্র বিষয়ে তার শিশুসুলভ উচ্ছ্বাসের সাক্ষী আমি। আমার সামান্যতম ক্ষতির আশংকায় তার কেঁদে অস্থির হওয়ার সাক্ষী আমি। মেয়েটি কী আসলেই সংসার বুঝেছিল ততদিনে? কারণ আমি জানি আমি সংসার তখনও বুঝিনি।
এরপর অনেকগুলো দিন কেটে গেল আমার, আমাদের জীবনে। নেহায়েত সাধারণ কিশোরীটি তখন নারী। ততদিনে সাধারণ মানুষটির ছোয়ায় আমার জীবন অসাধারণ। তখন সে সংসার বোঝে। কিন্তু আমি বুঝিনা, এতেই কী এত ক্ষোভ ছিল তার? এতবেশী ক্ষোভ যে ছেড়েই চলে গেল?
নির্ঝঞ্ঝাট সংসার হয়ত কোন দেবদূতেরও থাকে না। সে জায়গায় আমি তো সংসারই বুঝতাম না। কিন্তু সে সব বুঝতো। আগলে ছিল আমাকে। সে চলে গেল, কিন্তু আমার যাওয়ার উপায় রাখল না। সন্তান দুটো আমার বেচেঁ থাকার বাধ্যবাধকতা। না হয় হয়ত পিছু নিয়ে জানতে চাইতাম, এভাবে যাওয়ার কারণটা। তারপর জীবনের শেষ মৃত্যুতে, না কী মৃত্যুতেই মুক্তি; এই বিশাল বাস্তবতা এসে চাপল আমার ঘাড়ে। শরীর থেকে মাথা কাটা পড়ার অনুভূতি কী এই জীবন মেনে নেওয়ার চেয়েও ভয়ংকর? যার সবটুকু শেষ হয়ে যায় তার কাছ থেকে কেড়ে নেওয়ার কিছু থাকে না। তবুও আমার কাছ থেকে আরও কী যেন চান স্রষ্টা ও সৃষ্টি! তারাই সব বলেন!
গোলকধাঁধার মারপ্যাঁচ বুঝার বয়স কী হয়েছে মায়ের মৃত্যুর সাক্ষী ছেলেটার? তার প্রশ্নগুলো সহজ, কিন্তু উত্তর দেওয়ার মত শব্দ দুষ্প্রাপ্য। যখন মা হারানো মেয়েটার অযথা গড়াগড়ি দিয়ে কান্নার শব্দ কেবল আমিই শুনি, তখন অনেকেই নতুন নতুন গল্প বানাতে ব্যস্ত। আমি তো বর্ম পড়ে নেই, কিন্তু কোলে আছে মা হারা দুই শিশু। আঘাত সইতেও পারি না, রুখতেও পারি না।
এরপর আর কোন ভোর আমার জীবনে সকাল নিয়ে আসেনি। সন্তান দুটো এবং আমি আর স্নেহের ছায়ায় ঘুমাইনি।এরপরই আমি বুঝেছি সংসার কী।
সংসার মানে তুমি।
বাবুল আক্তার (সাবেক পুলিশ সুপার)
Like
Comment

Tuesday, 9 August 2016

চুড়ান্ত রায় বা সিদ্ধান্তদাতা আল্লাহর রাসুল

Post Collected from GBC Fb Group
>>> চুড়ান্ত রায় বা সিদ্ধান্তদাতা আল্লাহর রাসুল <<<
فَلا وَرَبِّكَ لا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لا يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجًا مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
তোমার রবের কসম! তারা মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে তোমাকে (রাসূলকে) বিচারক হিসেবে মেনে নেয়; অতঃপর তুমি যে রায়/ফায়সালা দেবে সে ব্যাপারে তাদের নিজেদের অন্তরে কোন দ্বিধা অনুভব না করে এবং পূর্ণ সম্মতিতে মেনে নেয়। আন-নিসা, ৪/৬৫
>>> একটি দল রাসুলের রায়কে প্রত্যাখান করে অথচ নিজেদের পক্ষে হলে মনে নেয় <<<
وَإِذَا دُعُوا إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ لِيَحْكُمَ بَيْنَهُمْ إِذَا فَرِيقٌ مِنْهُمْ مُعْرِضُونَ وَإِنْ يَكُنْ لَهُمُ الْحَقُّ يَأْتُوا إِلَيْهِ مُذْعِنِينَ
আর যখন তাদেরকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে আহবান করা হয় যাতে করে তাদের মাঝে পারস্পরিক বিচার মীমাংসা করা যায় তখন তাদের মধ্যে একটি দল মুখ ফিরিয়ে নেয়। আর সত্য যদি তাদের পক্ষে থাকে তাহলে পূর্ণ বিনয়ী হয়ে তারা তাঁর দিকে ছুটে আসে। আন-নুর, ২৪/৪৮-৪৯
>>> রাসুলের রায় না মেনে যারা অন্যের রায় মানতে চায় তারা তাগূতের কাছে বিচারপ্রার্থী হতে চায় <<<
أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ يَزْعُمُونَ أَنَّهُمْ آمَنُوا بِمَا أُنْزِلَ إِلَيْكَ وَمَا أُنْزِلَ مِنْ قَبْلِكَ يُرِيدُونَ أَنْ يَتَحَاكَمُوا إِلَى الطَّاغُوتِ وَقَدْ أُمِرُوا أَنْ يَكْفُرُوا بِهِ وَيُرِيدُ الشَّيْطَانُ أَنْ يُضِلَّهُمْ ضَلالا بَعِيدًا
তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য করনি? যারা দাবী করে যে, নিশ্চয় তারা ঈমান এনেছে ঐ বিষয়ে, যা তোমার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে এবং তোমার পূর্বে যা অবতীর্ণ হয়েছিল; তারা যে তাগূতের কাছে বিচারপ্রার্থী হতে চায় অথচ তাদেরকে নির্দেশ দেয়াই হয়েছে তাকে প্রত্যাখ্যান করার জন্য কিন্তু শয়তান তাদেরকে পথভ্রষ্টতায় পথভ্রষ্ট করে বহুদূরে নিয়ে যেতে চায়। আন-নিসা, ৪/৬০
أَفَحُكْمَ الْجَاهِلِيَّةِ يَبْغُونَ وَمَنْ أَحْسَنُ مِنَ اللَّهِ حُكْمًا لِقَوْمٍ يُوقِنُونَ
তবে কি তারা জাহিলিয়্যাতের বিধান চায়? আর দৃঢ় বিশ্বাসী লোকদের জন্য আইন-বিধান প্রদানে আল্লাহর চেয়ে কে অধিক শ্রেষ্ঠ? মায়েদা, ৫/৫০
>>> মুমিনদেরকে বক্তব্য; “আমরা শুনলাম ও মেনে নিলাম” <<<
إِنَّمَا كَانَ قَوْلَ الْمُؤْمِنِينَ إِذَا دُعُوا إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ لِيَحْكُمَ بَيْنَهُمْ أَنْ يَقُولُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا وَأُولَئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ
মুমিনদেরকে যখন আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে এ মর্মে আহবান করা হয়, তিনি তাদের মধ্যে বিচার ফায়সালা করবেন, তাদের কথা এই যে, তখন তারা বলে “আমরা শুনলাম ও মেনে নিলাম”, আর তারাই সফলকাম। আন-নুর, ২৪/৫১
Like
Comment
Comments
Muhammad Abdul Awyal আলহামদুলিল্লাহ।
LikeReply18 hrs
 

SSC Chemistry

SSC Chemistry

 
Blogger Templates